Skip to main content

বাংলাদেশ: নির্বাচনে সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতি গ্রহণযোগ্য হবে?

 বাংলাদেশ: নির্বাচনে সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতি গ্রহণযোগ্য হবে?

বিএনপি সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব ব্যবস্থার বিরোধিতা করলেও সিপিবি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি, এবি পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন ও গণ অধিকার পরিষদ এর পক্ষে মত দিয়েছে।


পিআর পদ্ধতি চালু করতে হলে রাজনৈতিক দলগুলোকে যেমন ঐক্যমতে আসতে হবে, পাশাপাশি ভোটারদেরও এই পদ্ধতির ভালো-মন্দ, এর সঙ্গে বর্তমান পদ্ধতির তফাৎ বোঝাতে হবে।

অন্তর্বর্তী সরকারের তিন মাসের মাথায় নির্বাচনি ব্যবস্থা সংস্কারের বিষয়টি যতই এগোচ্ছে, সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্বমূলক (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন বা পিআর) পদ্ধতির কথা ঘুরে ফিরে আসছে আলোচনায়।

নিবন্ধিত-অনিবন্ধিত অনেক দলই নানা ফোরামে এই পদ্ধতির পক্ষে-বিপক্ষে মত দিচ্ছে। তাতে যুক্ত হচ্ছেন নির্বাচন বিশেষজ্ঞরাও।

মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার সংবিধান, নির্বাচন ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন খাত সংস্কারে কমিশন গঠন করেছে, যাদের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রধান উপদেষ্টার কাছে সুপারিশসহ প্রতিবেদন দেওয়া কথা রয়েছে।

নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, তাদের কাজ হল কতগুলো সুপারিশ করা, যাতে নির্বাচনি ব্যবস্থা অবাধ, গ্রহণযোগ্য, অংশগ্রহণমূলক হতে পারে। ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই সেসব সুপারিশ সরকারের কাছে হস্তান্তরের লক্ষে কাজ করছেন তারা।

শেষ পর্যন্ত কী কী সংস্কার হবে, কবে নাগাদ নির্বাচন হবে সে বিষয়ে কোনো ধারণা এখনও পাওয়া যায়নি। তবে আগে সংস্কার, পরে নির্বাচনের দাবি যেমন রয়েছে; তেমনি বিএনপি নেতারা দাবি করছেন, সংবিধান সংশোধন করতে হলে নির্বাচিতদের হাত দিয়েই তা করতে হবে।

রাষ্ট্র সংস্কারের অংশ হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়ার পর বিভিন্ন দল এ বিষয়ে তাদের মত প্রকাশ করছে।

সিপিবি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি, এবি পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন ও গণ অধিকার পরিষদের প্রতিনিধিরা সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচনের পক্ষে মত দিয়েছেন।

তবে বিএনপি সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব ব্যবস্থার বিরোধিতা করে বিদ্যমান ব্যবস্থার অব্যাহত রাখার পক্ষে।

সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব কী

বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশগুলোতে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন প্রধানত দুই ধরনের ব্যবস্থা রয়েছে। একটি হচ্ছে, নির্বাচনি এলাকায় প্রার্থীদের মধ্যে যিনি সর্বোচ্চ ভোট পাবেন, তিনি নির্বাচিত হবেন। এ পদ্ধতিকে বলা হয় ‘ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট’। বাংলাদেশে সংসদসহ অধিকাংশ নির্বাচনে দীর্ঘদিন ধরে চর্চিত এই পদ্ধতিটি।

অন্য পদ্ধতি হল সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব ব্যবস্থা বা ‘প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেনটেশন’ পদ্ধতি, যেখানে আসনভিত্তিক কোনো প্রার্থী থাকে না। ভোটাররা ভোট দেবেন দলীয় প্রতীকে। একটি দল যত শতাংশ ভোট পাবে, সে অনুপাতে সংসদে তাদের আসন সংখ্যা নির্ধারণ হবে।

অনেক দেশে এ দুটি পদ্ধতির মিশ্র ব্যবস্থাও চালু রয়েছে।

বিস্তারিত 

Comments

Popular posts from this blog

               IPHONE 15 PRO OVERVIEW iPhone 15 Pro হল Apple এর সর্বশেষ প্রিমিয়াম স্মার্টফোন , যা 2023 সালের সেপ্টেম্বরে লঞ্চ করা হয়েছে৷ এটি ডিজাইন , পারফরম্যান্স , ক্যামেরা প্রযুক্তি এবং সামগ্রিক ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতায় উল্লেখযোগ্য আপগ্রেড প্রবর্তন করে৷ এখানে এর মূল বৈশিষ্ট্যগুলির একটি ভাঙ্গন রয়েছে : ডিজাইন এবং বিল্ড   টাইটানিয়াম ফ্রেম : আইফোন 15 প্রোতে একটি টেকসই টাইটানিয়াম ফ্রেম রয়েছে , যা স্টেইনলেস স্টিলের পূর্বসূরীদের তুলনায় এটিকে হালকা কিন্তু আরও মজবুত করে তোলে।   পাতলা বেজেল : এটি স্ক্রীনের চারপাশে পাতলা বেজেলের সাথে আসে , যা ফোনের সামগ্রিক আকার না বাড়িয়ে দেখার অভিজ্ঞতা বাড়ায়।   রঙের বিকল্প : ডিভাইসটি প্রাকৃতিক টাইটানিয়াম , নীল টাইটানিয়াম এবং আরও অনেক কিছু সহ নতুন ফিনিশে উপলব্ধ।   ফ্রি পেতে নিচের দেয়া ছবিতে   ক্লিক করুন প্রদর্শন    6.1- ইঞ্চি সুপার রেটিনা XDR ডিসপ্লে : প্রো - তে প্রোমোশন প্রযু...

রোজা সামনে রেখে খেজুরের শুল্ক কমানোর সুপারিশ

  রোজা সামনে রেখে খেজুরের শুল্ক কমানোর সুপারিশ বর্তমানে খেজুর আমদানিতে ৬৩.৬০% শুল্ক ও কর দিতে হয়। রাজধানীর বাইতুল মোকাররম মসজিদ মার্কেটের ফুটপাতে নানা রকম খেজুরের পসরা সাজিয়ে বসেন বিক্রেতারা। এখানে প্রতি কেজি খেজুর বিক্রি হয় ১৫০-২০০০ টাকায়। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান রাজধানীর বাইতুল মোকাররম মসজিদ মার্কেটের ফুটপাতে নানা রকম খেজুরের পসরা সাজিয়ে বসেন বিক্রেতারা। এখানে প্রতি কেজি খেজুর বিক্রি হয় ১৫০-২০০০ টাকায়। রোজার মাস সামনে রেখে খেজুরের বাজার সহনীয় রাখতে আমদানি শুল্ক ও অগ্রিম কর কমানোর সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন। রোববার এ বিষয়ে তৈরি করা এক প্রতিবেদনে ট্যারিফ কমিশন খেজুরের আমদানি শুল্ক ২৫ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ এবং অগ্রিম কর ১০ থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশ করার সুপারিশ করে। সেই সঙ্গে আমদানি পর্যায়ে খেজুরের ওপর থেকে ৫ শতাংশ আগাম করও আগামী বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত পুরোপুরি মওকুফ করার সুপারিশ করেছে কমিশন। বিস্তারিত 

৪০ টাকায় আলু বিক্রি করবে টিসিবি

  ৪০ টাকায় আলু বিক্রি করবে টিসিবি ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ৫০টি ট্রাকে কম দামে আলু বিক্রি করবে টিসিবি। বাজার নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত পণ্যের পাশাপাশি ৪০ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করবে সরকারি বিপণন সংস্থা টিসিবি। ঢাকার কারওয়ান বাজারে টিসিবি কার্যালয়ের সামনে বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় আলু বিক্রির কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। এদিন থেকে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ৫০টি ট্রাকে করে আলু বিক্রি হবে। একজন ক্রেতা তিন কেজি করে কিনতে পারবেন বলে টিসিবি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে চাল, পেঁয়াজ, তেলের পাশাপাশি আলুর দামও বেশ চড়েছে। খুচরায় প্রতি কেজি পুরনো আলু ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। নতুন আলু এখনও প্রতি কেজি ১০০ টাকার ওপরে। টিসিবি ঢাকায় ৫০টি ট্রাকের পাশাপাশি চট্টগ্রাম অঞ্চলেও ২০টি ট্রাকের মাধ্যমে কম দামে পণ্য বিক্রি করবে। ভোক্তা টিসিবির ট্রাক থেকে ১০০ টাকা লিটার দরে ২ লিটার ভোজ্যতেল, ৬০ টাকা কেজি দরে ২ কেজি মসুর ডাল, ৩০ টাকা কেজি দরে ৫ কেজি চাল কিনতে পারছেন।