Skip to main content

ক্যাডেট কলেজে ভর্তি: অনলাইন আবেদন চলছে, যা যা লাগবে

 আগামী ৪ জানুয়ারি পরীক্ষা হবে মোট ৩০০ নম্বরের। এর মধ্যে ইংরেজিতে ১০০, গণিতে ১০০, বাংলায় ৬০ ও সাধারণ জ্ঞানে ৪০ নম্বর থাকবে।


দেশের ১২টি ক্যাডেট কলেজে সপ্তম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তির আবেদন গ্রহণ চলছে।

গত ৫ নভেম্বর এ আবেদন গ্রহণ শুরু হয়, চলবে ১৫ ডিসেম্বর বিকাল ৫টা পর্যন্ত।

আবেদন করা শিক্ষার্থীদের আগামী ৪ জানুয়ারি ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। তাদের মৌখিক পরীক্ষা ও স্বাস্থ্য পরীক্ষাতেও বসতে হবে।

সব পরীক্ষা উত্তীর্ণ হওয়া সাপেক্ষে সামগ্রিক মেধাতালিকা অনুযায়ী চূড়ান্তভাবে প্রার্থী নির্বাচন করা হবে।

ক্যাডেট কলেজগুলো প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল শাখার প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

বাংলাদেশে ১২টি ক্যাডেট কলেজের মধ্যে ছেলেদের জন্য ৯টি ও মেয়েদের জন্য আছে তিনটি।

গত ৬ নভেম্বর এ কলেজগুলোতে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়।

আবেদন

www.cadetcollege.army.mil.bd ও https://cadetcollegeadmission.army.mil.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করা যাবে। আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৫০০ টাকা।

প্রার্থী এবং অভিভাবকদের সুবিধার্থে অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণের জন্য দেশের প্রতিটি ক্যাডেট কলেজে একটি করে এবং ঢাকা আর্মি স্টেডিয়ামে একটি ‘ই-বুথ আউটলেট’ থাকবে।

‘ই-বুথ আউটলেটে’উপস্থিত হয়ে যেকোনো পরীক্ষা কেন্দ্রের জন্য যেকোনো প্রার্থীর অনলাইন আবেদন করা যাবে। প্রতিটি আউটলেটে আবেদন ফি জমা দেওয়ার ব্যবস্থা থাকবে।

শুক্র ও শনিবার ছাড়া সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত আউটলেটগুলো খোলা থাকবে।

ভর্তির যোগ্যতা

প্রার্থীকে ষষ্ঠ শ্রেণি বা সমমানের ফাইনাল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ বাংলাদেশি নাগরিক হতে হবে। ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি সর্বোচ্চ বয়স হবে ১৩ বছর ৬ মাস। বালক ও বালিকাদের ক্ষেত্রে উচ্চতা ন্যূনতম ৪ ফুট ৮ ইঞ্চি হতে হবে। প্রার্থীর চশমার পাওয়ার কোন চোখেই-টুডির বেশি হবে না।

অযোগ্যতা

আগে ক্যাডেট কলেজের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিলে ওই প্রার্থী অযোগ্য বিবেচিত হবে। লিখিত, মৌখিক ও স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অযোগ্য হলে প্রার্থী ভর্তি হতে পারবে না।

এছাড়া প্রার্থী গ্রস নক নি, ফ্লাট ফুট, কালার ব্লাইন্ড বা অতিরিক্ত ওজনধারী হলে অযোগ্য বিবেচিত হবেন।

হাঁপানি, মৃগি, হৃদরোগ, বাত, বাতজ্বর, যক্ষা, পুরাতন আমাশয়, হেপাটাইটিস, ডিওডেনাল আলসার, রাতকানা, ডায়াবেটিস, হেমোফাইলিয়া, ক্লেপটোম্যানিয়া, ‘বিছানায় প্রসাব করার’ মত রোগে আক্রান্ত হলেও সে অযোগ্য বিবেচিত হবে।

স্বাস্থ্য পরীক্ষা পর্ষদ অন্য কোনো কারণ চিহ্নিত করলেও ওই প্রার্থী অযোগ্য বিবেচিত হবে।

কাগজপত্র

লিখিত পরীক্ষার জন্য প্রার্থীদের কিছু কাগজপত্র জমা দিতে হবে। সেগুলো মধ্যে আছে, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী বা ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার সত্যায়িত সনদ।

ষষ্ঠ বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণের সাল ও রোল নম্বর উল্লেখ করে প্রত্যয়ন ত্র, বার্ষিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ না হলে প্রার্থীর নাম ও রোল নম্বর উল্লেখ করে ‘সে পরীক্ষায় অবর্তীন হয়েছে ও কতৃকার্য হবে’ এই মর্মে প্রধান শিক্ষকের প্রত্যয়নপত্র ও অনলাইন আবেদনপত্রে আপলোড করা ছবির মত এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি দিতে হবে।

ইংরেজি মাধ্যমে অধ্যয়নরত হলে পঞ্চম বা সমমান শ্রেণিতে উত্তীর্ণের প্রধান শিক্ষকের দেওয়া প্রত্যয়নপত্র, জন্ম নিবন্ধন বা জন্ম সনদপত্রের সত্যায়িত ফটোকপি, যথযাথ কর্তৃপক্ষের দেওয়া প্রার্থীর বাবা ও মায়ের মাসিক আয়ের প্রত্যয়নপত্র, প্রার্থীর বাবা ও মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্র, টিআইআইএন সার্টিফিকেট ও পাসপোর্ট থাকলে তার সত্যায়িত ফটোকপি জমা দিতে হবে।

অনলাইন আবেদন পূরণের পর কাগজপত্র চাওয়া হবে। ১৮ ডিসেম্বরের পর থেকে পরীক্ষার আগের দিন পর্যন্ত প্রবেশপত্র ডাউনলোড ও প্রিন্ট করা যাবে।

১৫ ইঞ্চি দৈর্ঘ্য ও ১০ ইঞ্চি প্রস্থের খামের ওপর প্রবেশপত্রে প্রার্থীর ইনডেক্স নম্বর ও পরীক্ষা কেন্দ্রের নাম উল্লেখ করে ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রার্থীর প্রবেশপত্রে উল্লেখ করা পরীক্ষা কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত ক্যাডেট কলেজের ঠিকানায় রেজিস্টার্ড ডাক যোগে, কুরিয়ার বা গ্রাহকের মাধ্যমে পৌঁছাতে হবে।

পরীক্ষা

আগামী ৪ জানুয়ারি সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পরীক্ষা হবে মোট ৩০০ নম্বরের। এর মধ্যে ইংরেজিতে ১০০, গণিতে ১০০, বাংলায় ৬০ এবং সাধারণ জ্ঞানে ৪০ নম্বর থাকবে।

প্রার্থীরা পরীক্ষার কেন্দ্র নির্বাচন করতে পারবেন। তবে কেন্দ্রের আসন নির্ধারিত। তাই আগে আবেদন করা প্রার্থীরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কেন্দ্র নির্বাচন করতে পারবেন। তবে আবেদন ফরম পূরণের পর কেন্দ্র পরিবর্তন যোগ্য নয়।

লিখিত পরীক্ষার সিলেবাস দেখা যাবে এই লিংকে। (https://ccis.rankhope.com/uploads/13/notice/admission_syllabus_2025_1729332313.pdf)

ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। ওই সময় প্রার্থীর মৌখিক ও স্বাস্থ্য পরীক্ষার সূচি www.cadetcollege.army.mil.bd ওয়েবসাইটে ও ক্যাডেট কলেজগুলোতে প্রকাশিত হবে।

ক্যাডেট কলেজের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি দেখা যাবে এই লিংকে। (https://ccis.army.mil.bd/uploads/13/notice/circular_intake_final_2025_1730861802.pdf)#

Comments

Popular posts from this blog

               IPHONE 15 PRO OVERVIEW iPhone 15 Pro হল Apple এর সর্বশেষ প্রিমিয়াম স্মার্টফোন , যা 2023 সালের সেপ্টেম্বরে লঞ্চ করা হয়েছে৷ এটি ডিজাইন , পারফরম্যান্স , ক্যামেরা প্রযুক্তি এবং সামগ্রিক ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতায় উল্লেখযোগ্য আপগ্রেড প্রবর্তন করে৷ এখানে এর মূল বৈশিষ্ট্যগুলির একটি ভাঙ্গন রয়েছে : ডিজাইন এবং বিল্ড   টাইটানিয়াম ফ্রেম : আইফোন 15 প্রোতে একটি টেকসই টাইটানিয়াম ফ্রেম রয়েছে , যা স্টেইনলেস স্টিলের পূর্বসূরীদের তুলনায় এটিকে হালকা কিন্তু আরও মজবুত করে তোলে।   পাতলা বেজেল : এটি স্ক্রীনের চারপাশে পাতলা বেজেলের সাথে আসে , যা ফোনের সামগ্রিক আকার না বাড়িয়ে দেখার অভিজ্ঞতা বাড়ায়।   রঙের বিকল্প : ডিভাইসটি প্রাকৃতিক টাইটানিয়াম , নীল টাইটানিয়াম এবং আরও অনেক কিছু সহ নতুন ফিনিশে উপলব্ধ।   ফ্রি পেতে নিচের দেয়া ছবিতে   ক্লিক করুন প্রদর্শন    6.1- ইঞ্চি সুপার রেটিনা XDR ডিসপ্লে : প্রো - তে প্রোমোশন প্রযু...

রোজা সামনে রেখে খেজুরের শুল্ক কমানোর সুপারিশ

  রোজা সামনে রেখে খেজুরের শুল্ক কমানোর সুপারিশ বর্তমানে খেজুর আমদানিতে ৬৩.৬০% শুল্ক ও কর দিতে হয়। রাজধানীর বাইতুল মোকাররম মসজিদ মার্কেটের ফুটপাতে নানা রকম খেজুরের পসরা সাজিয়ে বসেন বিক্রেতারা। এখানে প্রতি কেজি খেজুর বিক্রি হয় ১৫০-২০০০ টাকায়। ছবি: মোস্তাফিজুর রহমান রাজধানীর বাইতুল মোকাররম মসজিদ মার্কেটের ফুটপাতে নানা রকম খেজুরের পসরা সাজিয়ে বসেন বিক্রেতারা। এখানে প্রতি কেজি খেজুর বিক্রি হয় ১৫০-২০০০ টাকায়। রোজার মাস সামনে রেখে খেজুরের বাজার সহনীয় রাখতে আমদানি শুল্ক ও অগ্রিম কর কমানোর সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন। রোববার এ বিষয়ে তৈরি করা এক প্রতিবেদনে ট্যারিফ কমিশন খেজুরের আমদানি শুল্ক ২৫ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ এবং অগ্রিম কর ১০ থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশ করার সুপারিশ করে। সেই সঙ্গে আমদানি পর্যায়ে খেজুরের ওপর থেকে ৫ শতাংশ আগাম করও আগামী বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত পুরোপুরি মওকুফ করার সুপারিশ করেছে কমিশন। বিস্তারিত 

৪০ টাকায় আলু বিক্রি করবে টিসিবি

  ৪০ টাকায় আলু বিক্রি করবে টিসিবি ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ৫০টি ট্রাকে কম দামে আলু বিক্রি করবে টিসিবি। বাজার নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত পণ্যের পাশাপাশি ৪০ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করবে সরকারি বিপণন সংস্থা টিসিবি। ঢাকার কারওয়ান বাজারে টিসিবি কার্যালয়ের সামনে বুধবার সকাল সাড়ে ৯টায় আলু বিক্রির কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। এদিন থেকে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ৫০টি ট্রাকে করে আলু বিক্রি হবে। একজন ক্রেতা তিন কেজি করে কিনতে পারবেন বলে টিসিবি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে চাল, পেঁয়াজ, তেলের পাশাপাশি আলুর দামও বেশ চড়েছে। খুচরায় প্রতি কেজি পুরনো আলু ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। নতুন আলু এখনও প্রতি কেজি ১০০ টাকার ওপরে। টিসিবি ঢাকায় ৫০টি ট্রাকের পাশাপাশি চট্টগ্রাম অঞ্চলেও ২০টি ট্রাকের মাধ্যমে কম দামে পণ্য বিক্রি করবে। ভোক্তা টিসিবির ট্রাক থেকে ১০০ টাকা লিটার দরে ২ লিটার ভোজ্যতেল, ৬০ টাকা কেজি দরে ২ কেজি মসুর ডাল, ৩০ টাকা কেজি দরে ৫ কেজি চাল কিনতে পারছেন।